বা ঙা ল না মা

Archive for the ‘পরিচয়’ Category

মরিচঝাঁপি ছিন্ন দেশ, ছিন্ন ইতিহাস ঃ একটি প্রিভিউ

Posted by bangalnama on December 31, 2009


মরিচঝাঁপি
ছিন্ন দেশ, ছিন্ন ইতিহাস


সম্পাদনা ঃ মধুময় পাল
প্রকাশক ঃ গাঙচিল
মূল্য ঃ ২৭৫ টাকা


দোসরা জানুয়ারী ২০১০-এ “মরিচঝাঁপিঃ ছিন্ন দেশ, ছিন্ন ইতিহাস” প্রকাশিত হচ্ছে। দেশভাগের বেদনাদায়ক ইতিহাসের অন্যতম কলঙ্কময় অধ্যায় মরিচঝাঁপি। অন্যতম উপেক্ষিত পর্বও বটে। ১৯৭৮-৭৯ সালে সুন্দরবনের দুর্গম জনহীন দ্বীপ মরিচঝাঁপিতে দন্ডকারণ্য থেকে আসা উদ্বাস্তুদের বসতি গড়ার চেষ্টা এবং সরকারের তরফে বিরোধিতার ঘটনা কেউ মনে রেখেছে, কেউ রাখেনি। বিচ্ছিন্নভাবে কিছু লেখালেখি আর প্রতিবাদ সভা হয়েছে। কিন্ত প্রান্তজনের ডাকে সেইদিন হয়ত সেইভাবে সারা দেয়নি বাংলার নাগরিক সমাজ। ঘটনার পর কেটে গেছে সুদীর্ঘ তিরিশ বছর। রিপ ভ্যান উইঙ্কলের ঘুম নন্দীগ্রাম-সিঙ্গুরের গণহত্যার প্রাক্কালে ভেঙেছে। ঘুরে ফিরে উঠে এসেছে মরিচঝাঁপির রক্তাক্ত ইতিহাস। সেই ইতিহাসকে স্মরণ করেই “মরিচঝাঁপিঃ ছিন্ন দেশ, ছিন্ন ইতিহাস”। সেদিন যারা প্রতিবাদ করেও সাড়া পাননি, তাদের মিলিত কন্ঠস্বর এই সংকলনে। ইতিহাসের সন্ধানে স্বর, প্রতিস্বর, ধবনি, প্রতিধবনি-সকলকেই গুরুত্ব দিতে হয়। তাই সেদিন যারা মরিচঝাঁপিকে থামাননি তাঁদের বক্তব্যও স্থান পেয়েছে এই সংকলনে। লিখেছেন শৈবাল কুমার গুপ্ত, জ্যোতি বসু, বরুণ সেনগুপ্ত, পান্নালাল দাশগুপ্ত, জ্যোতির্ময় দত্ত, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, সুখরঞ্জন সেনগুপ্ত, দেবপ্রসাদ সরকার, মনোজ ভট্টাচার্য, তুষার ভট্টাচার্য, অমিয়কুমার সামন্ত এবং আরো অনেকে। অনু জালের পূর্বপ্রকাশিত একটি লেখা স্থান পেয়েছে অনূদিত হয়ে। রস মল্লিকের তথ্যবহুল একটি লেখা ঘুরেফিরে মরিচঝাঁপির আলোচনায় উঠে এসেছে। তাই সেই লেখাটিও পরিশিষ্টে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও আছে সংবাদপত্রের পাতা থেকে উঠে আসা মরিচঝাঁপি নিয়ে টুকিটাকি। তিরিশ বছর পর দেশভাগের ইতিহাসের সবচেয়ে অনালোচিত পর্বের পাঠ নিতে যারা ইচ্ছুক, সংকলনটি তাদের জন্য।

Advertisements

Posted in ইতিহাস, উদ্বাস্তু ও জবরদখলকারী, কলোনী, ক্যাম্প, দেশভাগ, পরিচয়, পরিযাণ, বই আলোচনা | Tagged: , , | Leave a Comment »

খলসেকোটার গল্প

Posted by bangalnama on October 25, 2009


এই যেটা লিখছি, সেটা বেসিকালি আত্মজীবনীর অংশ গোছের কিছু, ছোটবেলা কাটানোর রাস্তায় দেখে চলা কিছু জিনিসকে মনে করার চেষ্টা করা আর সেইখান থেকে বাঙাল আইডেন্টিটির কোনও দিশা দ্যাখা যায় কিনা দেখবার চেষ্টা করা। জায়গাটি আমার বাড়ির ঠিক পাশেই, কলিকাতা বিমান বন্দরের অতীব সন্নিকটে বাঙাল অধ্যুষিত একটি পল্লী। পল্লী বলাটাই সমীচীন হলো কারণ সন ১৯৯৬ অবধি এই অঞ্চলগুলি গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন ছিলো, অনেকগুলি ইঁটের রাস্তা আর আদ্ধেক-বুজে আসা পুকুর-ডোবায় সম্পৃক্ত হয়ে। ওপার বাংলায় বরিশালের খলিসাকোটা নামে কোনও বর্ধিষ্ণু গ্রাম ছিলো, ৪৭-এর দেশভাগের আশেপাশের সময় ধরে সেখানকার সম্পন্ন হিন্দুরা গ্রাম তথা দেশ ছাড়তে শুরু করলেন, ছড়িয়ে পড়লেন শহর কলিকাতার চারধারে। আর পাঁচটা উদ্বাস্তু আন্দোলনের মতন করে জমি দখল করে এই খলিসাকোটা কলোনীর জন্ম হয় নি। সেই ছড়িয়ে পড়া মানুষগুলি এ পারে বিভিন্ন আলাদা আলাদা ঠাঁই জুটিয়ে নিয়েছিলেন, তারপর নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন বিভক্ত ভারতবর্ষে। এর পর শুরু হলো হারিয়ে ফেলা পরিচয় খুঁজে পাওয়ার পালা- এক গ্রামের লোকেরা নিজেদের খুঁজে পেতে শুরু করলেন আর তারপর নতুন একটা গ্রাম বানালেন ফেলে আসা গ্রামের নামে, সেইটিই এই খলিসাকোটা কলোনী। বিমানবন্দর আর বিরাটির মাঝখানে মুসলমান চাষীদের কাছ থেকে জমি কেনা হলো। একঘর দু’ঘর করে ওপারের গ্রামের লোকেরা এসে ঘর বানাতে থাকলেন ৬০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে। এঁদের অনেকেই ততদিনে মোটামুটি ভাবে একটা অর্থনৈতিক স্বাচ্ছল্য অর্জন করে ফেলেছেন, তাঁরা বাকি আত্মীয় ও গ্রামবাসীদের ডেকে আনলেন এই জায়গাটিতে। ক্রমশঃ ইস্কুল, খেলার মাঠ, লাইব্রেরী, বারোয়ারি পুকুর নিয়ে ভদ্রস্থ জনপদ গড়ে উঠলো।

বাকি অংশটি এখানে পডু়ন…

Posted in উদ্বাস্তু ও জবরদখলকারী, কলকাতা, কলোনী, ছোটবেলা, পরিচয়, পরিযাণ, ফিরে দেখা, বরিশাল, বাঙাল, সংস্কৃতি, কৃষ্টি | Tagged: , , , , , , , , , | 15 Comments »

বাঙাল : শব্দার্থের সন্ধানে

Posted by bangalnama on October 25, 2009


কিছু কিছু শব্দ থাকে যাকে ব্যবহার তো করি কিন্তু যার অর্থটার সুলুকসন্ধান পাই না। বাঙাল শব্দটা আমার কাছে তেমন একটা শব্দ। ন্যায়শাস্ত্রে বলে শব্দের অর্থদান করেন ঈশ্বর। এই ক্ষেত্রে তিনি আমার প্রতি সদয় ছিলেন না। তবে বাঙাল না হলেও আমি ইস্টবেঙ্গল। আর এই শব্দের অর্থ আমি বিলক্ষণ জানি। কারণ, আমার দিদির সাথে আমার ছিল নিদারুণ চুলোচুলি। আর দিদি ছিল মোহনবাগানি। আর ঠিক সেই কারণেই আমি ছিলাম ইস্টবেঙ্গল। আমার ইস্টবেঙ্গল হওয়ার পেছনে যে রকম অন্য একটি ক্লাবের পরোক্ষ অবদান ছিল, তেমনি আমার মনে হয় বাঙাল শব্দটার অর্থ খুঁজতে গেলে তার প্রতিপক্ষকে খুঁজতে হবে। এই কথার সুতো টেনে আরো কিছু প্রশ্ন-ও তোলা যায়, যেমন ‘বাঙাল’ কি স্বতন্ত্র বর্গ? না কি তা তার কোনো ‘প্রতিপক্ষ’ শব্দের ওপর নির্ভরশীল? যদি তা হয়, তবে শব্দটির অর্থ অচল কিছু? না প্রতিপক্ষের সাথে দ্বান্দ্বিক সম্পর্ক থাকার জন্য তার অর্থ-ও সময়ের সাথে পালটে গেছে? যারা ক্ষমতার কেন্দ্রে থেকে শব্দের অর্থ নির্মাণ করেন, তারা যে অর্থে শব্দটা ব্যবহার করেছিলেন আর যারা কেন্দ্রে ছিলেন না তারা কি শব্দর অর্থ নিজের মত করেই পালটে নিয়েছিলেন? এই রকম কয়েকটা প্রশ্নের উত্তর খুঁজবারই চেষ্টা করবো আমাদের আলোচনায়।


‘বাঙাল’ শব্দের উৎস কি? বাঙাল বা বাঙ্গাল শব্দের সম্ভাব্য ভৌগোলিক উৎপত্তি ‘বঙ্গাল’ থেকে। নীহাররঞ্জন রায় প্রণীত ‘বাঙালির ইতিহাস’, আদিপর্ব, থেকে জানতে পাই, একাদশ শতকে প্রাচীন বঙ্গদেশের একটি বিভাগ হিসেবে বঙ্গাল প্রদেশের নাম প্রথম পাওয়া যায় কিছু দক্ষিণী শিলালিপিতে। শিলালিপির বিবরণ বিশ্লেষণ করে বলা যায়, একাদশ শতকে বঙ্গ ও বঙ্গাল দু’টি আলাদা জনপদ ছিল। ‘বঙ্গালদেশ বলিতে প্রায় সমস্ত পূর্ব-বঙ্গ এবং দক্ষিণ-বঙ্গের সমুদ্রতটশায়ী সমস্ত দেশখন্ডকে বুঝাইত। … মানিকচন্দ্র রাজার গানের “ভাটি হইতে আইল বাঙ্গাল লম্বা লম্বা দাড়ি” পদে অনুমান হয়, ভাটি ও বঙ্গাল বা বাঙ্গালদেশ এক সময়ে প্রায় সমার্থকই ছিল। কিন্তু বঙ্গাল বা বাঙ্গালদেশের কেন্দ্রস্থান বোধহয় ছিল পূর্ব-বঙ্গে।’ শ্রীধর দাস সংকলিত সন ১২০৬-এর সদুক্তিকর্ণামৃত গ্রন্থে এক অজ্ঞাতনামা বঙ্গাল কবির একটি গঙ্গাস্তোত্র পাওয়া যায়। সম্ভবতঃ সংস্কৃত সাহিত্যে বঙ্গাল/বাঙ্গাল শব্দটির প্রাচীনতম নিদর্শনের একটি —
“ঘনরসময়ী গভীরা বক্রিম-সুভগোপজীবিত । কবিভিঃ
অবগাঢ়া চ পুনীতে গঙ্গা বঙ্গাল-বাণী চ । –বঙ্গালস্য ।”
ষোলোশ’ খ্রীষ্টাব্দের একটি প্রামাণ্য নকশায় উল্লিখিত
Bengala বন্দরটির অবস্থানও পূর্ববঙ্গে- এটি মতভেদে অধুনা চট্টগ্রাম বা প্রাচীন ঢাকার বন্দর ছিল।

বাকি অংশটি এখানে পডু়ন…

Posted in উত্তর-ঔপনিবেশিকতা, পরিচয়, বঙ্গভঙ্গ, বাঙাল, বেঙ্গল রেনেসাঁ, ভাষা, সংস্কৃতি, কৃষ্টি | Tagged: , , , , , , , | 5 Comments »

Reclaiming the Margins of Faded Scrolls

Posted by bangalnama on October 25, 2009


The Mamar Bari is expected to play a central role in the life of any Bengali kid. I was no exception. It was the place Ma would happily run to once every week, and I would happily tag along. It was very apparent to me from very early on, that things here, in this stately, old, two-storied house, in an old fashionable South Calcutta neighborhood, were run differently from the small government rental flats in obscure neighborhoods of Park Circus or Lake Gardens, where I lived with my parents. One could play cricket in the roof or be wild in the garden with cousins. The floors had that shiny red hue that you see in many old Calcutta homes (though the period films always show the even more aristocratic black-and-white marble tiling), the DC ceiling fans looked and sounded different (the electric supply remained DC for a long time), and the windows were wooden, with the “Charulata” khorkhoris.


The heydays of the neighborhood as well the house were well past, and there seemed to be a certain disjunction between some of the trappings of aristocracy and some of the more modest modern additions. There were cured and painted deer skulls hanging from the walls and even part of a tiger skin, relics of the British Raj era passion for displaying hunted animals as trophies. Yet my grandfather, the man responsible for them (he had been a high ranking forest official), wore no snobbish airs about him and meticulously walked every morning to the bazaar or the bank like any dutiful retired Bengali gentleman. There were stately old bookshelves and almirahs made of solid dark wood with fat, dusty law books lining them. One could easily tell apart the more modern kitschy little things that my aunts had placed there. Frequently occurring in the glass showcases were also certain intricately carved metallic-looking cylindrical objects that I was never allowed access to as a child, and which consequently always evoked an irrepressible curiosity in me. The adults were patient enough to just tell me , that they were all manpatra ( essentially “scrolls of honour”) that had been conferred upon my great grandfather in the days of his being a minister in the Bengal cabinet of Fazlul Haque.

Read the rest of this entry »

Posted in উদ্বাস্তু ও জবরদখলকারী, কলোনী, জাত, জাতীয়তাবাদী আন্দোলন, নমশূদ্র আন্দোলন, পরিচয়, ফিরে দেখা, বঙ্গভঙ্গ, রাজনীতি | Tagged: , , , , , , , , , , , , , , , , , | Leave a Comment »

An Interpreter for the Bengali Diaspora

Posted by bangalnama on October 25, 2009


Like Ray’s globe-trotter Manomohan Mitra (in “Agontuk” or “The Stranger”)1, the Bengali has never been a “KupoMonduk”. The Bengali migration has not just been across the barbed wires separating the two Bengals, but has often carried him across the oceans, to new continents and cultures. Jhumpa Lahiri is a product of that “Wanderlust”. More than any other writer of her time, Jhumpa has emerged as a spokesperson of her generation, one that has been born and brought up outside Bengal, spent their lives far away from the sights and sounds of this land. It is a life lived in a myriad of fragmented cultural identities. The middle class Bengali values of home, the All-American values at school and the big wide world, the Indian identity at Diwali, all combine, collide, embrace and sometimes repel each other in this strange whirlwind of immigrant existence. We have met this generation, often looked at them with the curiosity of a stranger, but have never quite been able to fathom the complexities and confusions that surround their lives.


It is a generation, often misunderstood, by Bengalis at home, and at large, by the Indian community, which alludes to the word “A.B.C.D” with deriding connotations. But such casual, offhand criticisms do little in understanding the complex dynamics of the American born Bengali generation. The one dimensional clichés that have existed in Bollywood (and very recently in Tollywood too) in the name of “crossover cinema” have only worked in order to enhance these widely believed stereotypes, but have failed to give us a more nuanced look at this generation. Jhumpa, on the other hand, tells the tales of more ordinary people, multihued characters who are far away from the cartoonish caricatures of pop culture. In the “Namesake”, Moushumi Majumder (often described as a character close to Jhumpa’s own self) does not try to balance Bollywood and ballet, nor is she given to the stereotype of the Western Bengali fawning over “Baul”. Moushumi is intelligent, self assured, reads French feminist theory, and carries herself in her own friend’s circle without the burdens of expressing her Indianness.

Read the rest of this entry »

Posted in উত্তর-ঔপনিবেশিকতা, ঔপন্যাসিক, পরিচয়, সংস্কৃতি, কৃষ্টি, সাহিত্য, writers of South-Asian origin | Tagged: , , , , , , , , | 1 Comment »

উন্নয়ন, বিভাজন ও জাতি : বাংলায় নমশূদ্র আন্দোলন, ১৮৭২-১৯৪৭

Posted by bangalnama on August 31, 2009



জাতিবিভাগ, শ্রেণী আর ক্ষমতার সম্পর্কের মধ্যে প্রাক-ঔপনিবেশিক বাংলার সনাতন হিন্দু সমাজে যে ভারসাম্য ছিল (রায়, ১৯৮০, পৃঃ ৩২৪-২৫; সান্যাল, ১৯৮১, পৃঃ ১৯-২৬), ইংরেজ ঔপনিবেশিক সরকার নতুন নতুন সুযোগ-সুবিধা তৈরি করতে থাকলে তা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়। সাধারণ ধারণা এই যে ভূমি বিক্রেয় পণ্যে পরিণত হলে, প্রথাবদ্ধ উৎপাদন সম্পর্কের জায়গা নেয় চুক্তিবদ্ধতা। নতুন পেশার সৃষ্টি হল, যার ভিত্তি ব্যক্তিগত যোগ্যতা। যে সব বণিক সম্প্রদায়ের বাণিজ্যকর্ম এতদিন আঞ্চলিকতার সীমায় আটকে ছিল, তারা এবার বিভিন্ন ইউরোপীয় কোম্পানির সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে বাণিজ্য করে অবস্থার উন্নতি ঘটানোর সুযোগ পেল। আর তা বিভিন্ন জাতির মধ্যে প্রাচুর্যের বন্টনকেও বিষমীকৃত করে। এরই পরিণতি, সামাজিক গতিশীলতার বৃদ্ধিতে সমাজে ক্ষমতার সম্পর্ক ভেঙে পড়ার উপক্রম। কিন্তু যদি আদমসুমারির পেশা-সংক্রান্ত তথ্যকে সমাজের কিছু সাধারণ পরিবর্তনের সূচক হিসেবে গ্রহণ করি, যদিও সামাজিক পরিবর্তনের নির্ভরযোগ্য ছবি এর থেকে আদৌ পাওয়া যায় না (কনলন, ১৯৮১), তাহলে আমরা দেখব যে বিংশ শতাব্দীর গোড়াতেও (১৯০১-১৯৩১) এই সামাজিক গতিশীলতা ছিল অত্যন্ত সীমিত, সমাজের একেবারে নিচের তলা থেকে কেউ ওপরে উঠে আসছে এ ঘটনাও দুর্লভ।


জনসংখ্যার এক বিশাল অংশ তখনও তাদের জাতিভিত্তিক পেশাতেই নিয়োজিত, অর্থাৎ ঔপনিবেশিক শাসনপর্বে সীমিতভাবে যে উন্নয়ন প্রক্রিয়ার শুরু তা গোষ্ঠীসাপেক্ষে স্বতন্ত্র প্রভাব বিস্তার করেছে। অন্যভাবে দেখলে অর্থনীতি সমষ্টিগত উন্নয়নের গতি কখনো অর্জন করেনি বলেই একই জাতির মধ্যে তৈরি হয়েছে অন্য শ্রেণীরেখা। অর্থনীতির এই অসম সঞ্চালন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এই ঘটনাটিই একদিকে বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর চেতনাকে নিয়ন্ত্রণ করেছে – অন্যদিকে তা উনিশ শতকের শেষ আর বিশ শতকের আরম্ভে নিম্নবর্ণের জাতিগুলির সামাজিক আন্দোলনের অন্যতম প্রধান কারণ হয়েই তার ওপর প্রভাব ফেলেছে।

বাকি অংশটি এখানে পডু়ন…

Posted in ইতিহাস, জাত, তেভাগা আন্দোলন, নমশূদ্র আন্দোলন, পরিচয়, রাজনীতি | Tagged: , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , | 7 Comments »

The Refugee City: Partition and Kolkata’s postcolonial landscape

Posted by bangalnama on August 31, 2009



In 1966, the writers of the Basic Development Plan for the city described Calcutta as a ‘metropolis in crisis.’ It was a description given in despair probably keeping in mind the city’s chequered history of urbanization. This urbanization was externally imposed by the English to meet the needs of a colonial economy and de-linked from the developments in the rural areas.1 The decade of the forties was characterized by major movements in population that stretched the limits of the city and its civic amenities, particularly the great famine of 1943 which took a toll of 6 million lives and pushed hundreds of people to seek relief into the city and its suburbs. After the Partition, the refugee movement greatly influenced the urbanization of the city because their sheer numbers transformed villages or semi urban areas to towns. In Calcutta, 25% of the metropolis agglomeration were refugees and between 1941 and 1951, Calcutta’s overall population density jumped by 20% while in areas with a large refugee presence like Tollygunj, the density increased by almost 141% within that same period.2

Read the rest of this entry »

Posted in উদ্বাস্তু ও জবরদখলকারী, কলকাতা, কলোনী, ক্যাম্প, পরিচয়, পরিযাণ, পূর্ব পাকিস্তান, বঙ্গভঙ্গ, রাজনীতি | Tagged: , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , | 4 Comments »

স্বাধীনতার অন্য মুখ ঃ বাংলা কবিতা ও গানে দেশভাগ

Posted by bangalnama on August 31, 2009


ভারতের জাতীয়তাবাদী ইতিহাসচর্চায় স্বাধীনতা একটি মহান ও পবিত্র বিজয়ফলক হিসাবে স্বীকৃত। জাতীয়তাবাদী আন্দোলন তার কাঙ্ক্ষিত পরিণতি লাভ করে স্বাধীনতা অর্জনের মধ্য দিয়ে। আরও সুস্পষ্ট রূপে বললে একটি জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। সেই স্বাধীনতা অর্জনের জন্য জাতীয়তাবাদী নেতৃবর্গ দেশভাগের সিদ্ধান্ত মেনে নিতেও পিছপা হননি। জাতীয়তাবাদী ইতিহাসের প্রকল্পে দেশভাগ ও তদ্‌জ্জনিত দুর্ভোগ ছিল নেহাৎই একটি মহান লক্ষ্য পূরণের জন্য কিছু মানুষের সামান্য আত্মত্যাগ। স্বাভাবিকভাবেই দেশভাগ বহু বছর ভারতের ইতিহাস চর্চায় উপেক্ষিত থেকে যায়। স্বাধীনতা উদ্‌যাপনের আনন্দোৎসবে ঢাকা পড়ে যায় দেশভাগের ফলে উৎখাত হওয়া মানুষের স্বজন ও স্বদেশ হারানোর হাহাকার। বিগত সহস্রাব্দের শেষ দশক থেকে দেশভাগের অভিজ্ঞতা নিয়ে এক নতুন ধরনের ইতিহাসচর্চা শুরু হয় মূলতঃ উত্তরভারতে, বিশেষ করে পাঞ্জাবে। এর রেশ এসে পড়ে পশ্চিমবঙ্গেও। সম্প্রতিকালে পশ্চিমবঙ্গে দেশভাগ নিয়ে ব্যাপক গবেষণা ও আলোচনা হচ্ছে। এর অনেকটাই স্মৃতিনির্ভর। এই ধরণের ইতিহাসচর্চার মধ্য দিয়ে স্মৃতি, সাহিত্য ও ইতিহাসের লক্ষ্মণরেখা ক্রমশঃ লুপ্ত হয়ে যাচ্ছে, যা বিশেষভাবে লক্ষ্যনীয়। ইতিহাসের এই পদ্ধতিগত অভিযোজন নিয়ে যে বিতর্ক আছে তার মধ্যে না গিয়ে এই প্রবন্ধে তুলে ধরার চেষ্টা করব স্বাধীনতা ও দেশভাগের সমসায়িক বাংলার সৃষ্টিশীল মানুষরা কি ভাবে দেশভাগকে দেখেছিলেন। বাংলা কবিতা ও গানে তার প্রতিফলন কেমন হয়েছিল।

বাকি অংশটি এখানে পডু়ন…

Posted in ইতিহাস, উদ্বাস্তু ও জবরদখলকারী, কলকাতা, কলোনী, ক্যাম্প, জাতি, জাতীয়তাবাদী আন্দোলন, পরিচয়, পরিযাণ, পূর্ব পাকিস্তান, বঙ্গভঙ্গ, বাংলাদেশ, রাজনীতি | Tagged: , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , | Leave a Comment »

 
%d bloggers like this: