বা ঙা ল না মা

Posts Tagged ‘ইস্টবেঙ্গল ক্লাব’

‘খেলতে হলে প্রপার মোহনবাগান একাদশেই খেলবো, ওদের জুনিয়র টিমের হয়ে নয়’

Posted by bangalnama on December 31, 2009


কে না জানে বাঙালের অস্তিত্বের একটা বলিষ্ঠ উচ্চারণ ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব। এই স্বরটিকে সম্মান জানিয়ে বাঙালনামা শুরু করলো ইস্টবেঙ্গল-সিরিজ। অতীত ও বর্তমানের ইস্টবেঙ্গল মহারথীদের নিয়মিত সাক্ষাৎকার প্রকাশের পরিকল্পনা থাকলো। এই সংখ্যায় রাখা হলো বাংলা ফুটবলের স্বর্ণোজ্জ্বল ষাটের দশকের বিখ্যাত ফুটবলার সুকুমার সমাজপতির সাক্ষাৎকারের প্রথম ভাগটি। বাঙালনামার পক্ষ থেকে সাক্ষাৎকার নিয়েছেন অনির্বাণ দাশগুপ্ত


বাঙালনামা।। আপনার ছোটবেলার কিছু কথা বলুন-


সুকুমার সমাজপতি।। আমাদের আদি বাড়ি, অর্থাৎ আমার বাবার ছোটবেলা কেটেছে ফরিদপুরে। আমার নিজের জন্ম মামাবাড়িতে, পাবনা জেলার রতনগঞ্জ গ্রামে। আমার বেড়ে ওঠা এরপর থেকে কলকাতাতেই, ছোটবেলায় সাউথ সাবার্বান ইস্কুলে ভর্তি হই। সেখান থেকে প্রথম বিভাগে ইন্টারমিডিয়েট উত্তীর্ণ হয়ে আশুতোষ কলেজে জিওলজি নিয়ে পড়াশোনা করেছি।


বাঙালনামা।। আপনার বাড়িতে কি খেলাধুলোর পরিবেশ ছিল? খেলার প্রতি আগ্রহ কি বাড়ির থেকেই পাওয়া?


সুকুমার সমাজপতি।। দ্যাখো, বাড়ির কথা বলতে গেলে বলতে হয়, সেদিক থেকে আমি ভীষণ ভাগ্যবান ছিলাম, খেলাধুলো এবং সংস্কৃতি-চর্চার দু’টো ধারাই আমাদের বাড়িতে সমান্তরালে বইতো। আমার বাবা, স্বর্গীয় কালিপদ সমাজপতি খুব ভালো আঁকতেন। এই যে দেওয়ালে অয়েল-পেইন্টিংগুলো দেখছো, এইগুলো ওঁর-ই আঁকা। তার সঙ্গেই উনি ফার্স্ট ডিভিশনে কালিঘাটের হয়ে ফুটবলও খেলতেন। আমার ঠাকুরদা, স্বর্গীয় নিবারণচন্দ্র সমাজপতি ছিলেন সেযুগের বিখ্যাত কীর্তন-গাইয়ে। কাকারাও খেলাধুলোয় উৎসাহী ছিলেন… তাই, খেলাধুলো নিয়ে উৎসাহ আমি বাড়ির সবার কাছ থেকেই পেয়েছি।

বাকি অংশটি এখানে পডু়ন…

Advertisements

Posted in ইস্টবেঙ্গল, কলকাতা, ফিরে দেখা, ফুটবল, বাঙাল, মোহনবাগান, সংগীত, সাক্ষাৎকার | Tagged: , , , , , , , , , , , , , , , , | 1 Comment »

লাল-হলুদের Ball-ad বা স্বপ্নের উপকথা।

Posted by bangalnama on October 5, 2008


১৯২০ সালের এক গুমোট বিকেল। মোহনবাগান আর জোড়াবাগান ক্লাবের মধ্যে খেলা শুরু হবার কথা একটু পরেই। হঠা খবর এল, অপ্রত্যাশিতভাবে জোড়াবাগান ক্লাবের প্রথম একাদশ থেকে বাদ পড়েছেন তাদের তারকা খেলোয়াড়, লেফ্ট হাফ শৈলেশ বোস। কানাঘুষোয় এও শোনা গেল পদ্মাপারের লোক হওয়ার সুবাদেই এমন একচোখো বৈরীতার শিকার হতে হল শৈলেশবাবুকে।

ঘটনার প্রতিবাদে জোড়াবাগানের ভাইস প্রেসিডেন্ট সুরেশচন্দ্র চৌধুরি মশাই তক্ষণাৎ পদত্যাগ করলেন। তাঁরই চেষ্টায় এবং রাজা মন্মথনাথ চৌধুরি, রমেশচন্দ্র সেন, এবং অরবিন্দ ঘোষের আনুকুল্যে ১৯২১ সালের পয়লা অগাস্ট, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের গোড়াপত্তন হল গড়ের মাঠে। খুব স্বাভাবিকভাবেই, এই দলের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর নাম মোহনবাগান। লাল-হলুদ আর সবুজ-মেরুনের প্রথম সাক্ষাতে নেপাল চক্রবর্তীর দেওয়া গোলে ম্যাচের ফল ইস্টবেঙ্গলের অনুকূলে ১-০ হয়। 🙂

বাকি অংশটি এখানে পডু়ন…

Posted in ফুটবল, Sports | Tagged: , , , | 3 Comments »

 
%d bloggers like this: