বা ঙা ল না মা

‘…..তারই কিছু রং’

Posted by bangalnama on December 31, 2009


“তিনটে এক্সট্রা হবে, দাদা?”


তখনও অর্কুট আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলেনি জীবনকে। স্কুল-কলেজের কয়েকজন ছাড়া খুব একটা বন্ধুত্বও নেই বিশেষ কারুর সঙ্গে। ফলে শহরে কি কি ঘটছে বা ঘটতে চলেছে, চটজলদি খবরও পাই না। এমনি কোনো এক শুক্রবার কলেজে গিয়ে খবরটা পেয়েই সোজা কলামন্দির।


সেই প্রথম, একা। হলের সামনে ইতিউতি জটলা, সবাই সব্বাইকে চেনে বোধহয়। বড় একা লেগেছিল। আঁধার তখনও নামেনি যদিও। সাড়ে ছ’টা থেকে অনুষ্ঠান হলেও চলে এসেছি সওয়া পাঁচটা নাগাদ। টিকিট নেই সঙ্গে, অথচ কাউন্টারেও কেউ নেই। কি যে করা উচিত সেটাই বুঝতে পারছি না। একা কোণে দাঁড়িয়ে সিগারেট খাচ্ছিলেন কুর্তা-পরা এক ভদ্রলোক, সাহস করে তাকে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম-


“আচ্ছা, টিকিট কোথায় পাওয়া যাবে?”


“আমার কাছে নেই।”


“ও। টিকিট কাউন্টারটা…?”


এবার ভালোভাবে আমার দিকে তাকিয়ে আপাদমস্তক মেপে নিলেন।


“প্রথম বুঝি?”


“হ্যাঁ। আগে একা আসিনি।”


“হুমম। প্রোগ্রামের দিন টিকিট পাওয়া যায় না ভাই। দেখো এদিক-ওদিক। সময় আছে, একটা এক্সট্রা ঠিকই পাবে।”


সেদিনই আলাপ জ্যোতিষ্ক’র সঙ্গে। প্রেসিডেন্সিতে স্ট্যাটিস্টিক্স নিয়ে পড়ে, এক বছরের সিনিয়ার। বান্ধবী নিয়ে এসেছে টিকিট ছাড়া। আরও একজনের আমার মত দশা দেখে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম, যদিও আলাপ হয়ে সমস্যা গেল বেড়ে। আগে একটা হলেই চলত। এখন তিনটে লাগবে। মেয়েটি ক্রমাগত গজগজ করছে, “এভাবে আসার কোনো মানে হয়? বাড়ি চল।”। এই অবস্থায় আবার সেই ভদ্রলোক-


“এভাবে দাঁড়িয়ে থাকলে কিসসু হবে না, ভাই। দুজনে মিলে পার্ক সার্কাসের দিকে হাঁটতে থাকো। ভদ্র চেহারার যাকে পাবে, তার কাছেই এক্সট্রা চাইবে। সে কলামন্দিরে আসছে কিনা জানার দরকার নেই। অ্যাপ্রোচ করো। বেস্ট অফ লাক!”


সত্যবান বাবুর কল্যাণে তিনটে টিকিট জুটেছিল। কলেজ থেকে খবর পেয়েই চলে এসেছি শুনে দু’জনের থেকে পয়সাও নেননি ভদ্রলোক। সেই প্রথম আমার কলামন্দির চেনা। কবীর সুমনকে মঞ্চে গাইতে দেখা। একাকী।

***


তা বেশ অনেকদিনই হল। লোকটা প্রথমবার এসেছিল আমাদের রামরাজাতলার বাড়িতে কোনো এক সন্ধ্যেয়।


যদিও গ্রীষ্মের ছুটি পড়েনি তখনও, আমি চিকেন পক্সে কাবু হয়ে সারাদিন পড়ে রয়েছি বিছানায়। বাবা মা বেরিয়ে যাবার পর সারাদিনের সঙ্গী বলতে আটচল্লিশ পাতার ড্রয়িংবুক, সিন্ডারেলা, গালিভার আর আবোল তাবোল, সহজ পাঠ। কাহাঁতক ওই পাতলা বইগুলো নিয়ে অতগুলো দুপুর কাটানো যায়! বইমেলায় কেনা উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরির ‘ছোটদের পুরাণ’-টাও প্রায় শেষ করে ফেলেছি, এভাবেই একই গল্প ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বারবার পড়তে পড়তে আরেকটা
5 Star-এর অপেক্ষায় কখন ঘুমিয়ে পড়তাম। সন্ধ্যে হয়ে যেত।


এমনি কোনো এক সন্ধ্যেয় অবাক হয়ে দেখলাম স্কুল-ফেরত মায়ের ব্যাগ থেকে আর চকোলেট বেরোল না। বুকশেলফের ওপর থেকে টেপ-রেকর্ডার নেমে এল।


সেই প্রথমবার। বলা বাহুল্য রাগ হয়েছিল ভীষণ। আমার হকের পাওনা না মিটিয়ে আমারই সামনে বসে কেউ যে গান শুনতে পারে, তাও একই ক্যাসেট বারবার…এ আমি দুঃস্বপ্নেও কখনও ভাবিনি। ক্যাসেটের কভারটা হাতে নিয়ে দেখলাম অন্ধকার থেকে মুখ বের করে নীল জামা পরা একটা লোক হাসছে মিটিমিটি।

***


“Accept me as I am.. because it’s just me!”


সেই ১৯৯০-এর কলকাতা উৎসব থেকে শুরু। তারপর নিয়মিত এ শহরে পারফর্ম করেছেন সুমন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তৈরি করে নিয়েছেন নিজস্ব শ্রোতা-গোষ্ঠী। তাঁরা সুমনকে চেনেন, সুমনের গান-বাজনা, উচ্চারণ, মেজাজ, উপস্থিতি সবকিছু নিয়েই একটা সম্যক ধারণা রয়েছে তাঁদের। সুমনও তাঁদের অনেককেই নামে চেনেন। যাঁরা জানেন সুমন কি ও কেন, কিসের টানে ছুটে আসেন বারবার। তাঁদের নিয়ে সমস্যা হয় কম। কিন্তু যাঁরা সেই বিরানব্বই-এ কোনও একটি অ্যালবাম শুনে বা না-শুনে নিছকই কৌতুহলের বশে বা সময় কাটাতে আসেন, তখনই কোথাও একটা গোলমাল হয়ে যায়। আসলে সমস্যা হল, বিগত দশকের জলসা-সংস্কৃতির হ্যাংওভার বাঙালির এখনও কাটেনি। অসামান্য শিল্পীরা গাইতে আসতেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেসব জলসা পর্যবসিত হত অনুরোধের আসরে। এখনও কোনো অনুষ্ঠানে একজন শিল্পী শুধু তাঁর তথাকথিত হিট গানগুলি গাইবেন, এটাই এক্সপেক্ট করা হয়। তুমি চুপচাপ সেটা মেনে নিয়ে গেয়ে চলে গেলে নো প্রবলেম। কিন্তু সুমন সে বান্দা নন। সেই ‘৯২তে পা রেখেই ঘোষণা করে দিয়েছেন – চল্লিশ টাকার টিকিট কেটে যদি ভাবো কিনছ আমায়…হেঁ হেঁ…খোকা, ভুল ভেবেছ। চেয়েছেন বরাদ্দ তিন ঘন্টা নিজের মত করে সাজাতে, তাতে ‘তোমাকে চাই’-এর জায়গা নাও হতে পারে। আর চেয়েছেন সামনে বসা শ্রোতাদের কাছ থেকে ন্যূনতম সহযোগিতা। অযথা হুল্লোড় না করা, ঠিক সময়ে হলে ঢোকা, মোবাইল বন্ধ রাখা, ইত্যাদি। কিন্তু এ বাঙালি সহজে দমবার পাত্র নয়। ‘পাড়ার ক্লাবের পঁচিশ বছর পূর্তিতে এইভাবে শ্যামল-মান্না শুনে এসেছি। পঁয়ত্রিশ বছরেও গৌতম ঘোষে কোমর দুলিয়েছি কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করেই। ইনি কোথাকার গুরুঠাকুর এলেন!’ ফলে সংঘাত অনিবার্য। অনিবার্য মেজাজ হারানো। এবং অনিবার্য ২রা সেপ্টেম্বর, ২০০৭-এর সন্ধ্যে।


…এবং সে বছরেরই ১১ই নভেম্বর। গত দু’মাসে পত্র-পত্রিকায় কিঞ্চিৎ আর্টিকল-চিঠি-চাপাটি এবং ভার্চুয়াল কম্যুনিটিতে বাওয়ালের সুনামি পেরিয়ে এসে ভাইফোঁটার সন্ধ্যে। ততদিনে সুমন টিভি চ্যানেলের হয়ে ১৪ই মার্চ কভার করে ফেলেছেন, ছুটে গেছেন ধর্মতলার অনশন মঞ্চে। অনেকদিন পরে নন্দীগ্রাম অ্যালবামের দৌলতে পাব্লিক জেনেছে লোকটা এখনও গান-টান গায়। এদিকে আবার সেইদিন কলকাতায় ফিল্ম উৎসব চলছে। একই সঙ্গে সংলগ্ন অঞ্চলে ১৪৪। অধিকাংশ বিদ্বজ্জন, কৃষ্ণ কিম্বা শুক্ল, যে যাঁর পক্ষ নিয়ে ফেলেছেন আর তাঁদেরই কাকে কাকে যেন পুলিস ধরেছে। খবর আসছে ইতিউতি। ধুতি-পাঞ্জাবী পরে মঞ্চে এলেন অস্বাভাবিক শান্ত সুমন। যাঁরা সেদিন ছিলেন, ‘ফ্যাসিস্ট শিল্পী’র কণ্ঠে নিখিল ঘোষের সুরে পাঁচের দশকের একটি গান শুনেছিলেন-“কে ভোলালে বারে বারে…”। আমি এক ভদ্রমহিলাকে ফ্রন্ট রো-এ বসে হাউহাউ করে কাঁদতে দেখেছি, যাঁকে দিনকয়েক বাদেই সরকারপন্থী বুদ্ধিজীবিদের মিছিলে হাঁটতে দেখা যাবে।


মিউজিক পারে। সুমন পারেন। এখনও।

***

.....তারই কিছু রং


“প্রেমিক-প্রেমিকা ছাড়া কেউ যেন এ গান না শোনে”


অনেকদিন আগে আনন্দবাজার পত্রিকায় লিখেছিলেন জয় গোস্বামী। ১৯৯৮-এর অক্টোবর। সুমন প্রথমবার ঢাকায় গেছেন কনসার্টে। কিছুদিন আগেই কলকাতায় বেরিয়েছে ‘নিষিদ্ধ ইস্তেহার।’ হাত থেকে হাতে, বুক থেকে বুকে ছড়িয়ে পড়ছে, প্রকাশ্যেই, আগের দ্রুততায় না হলেও। সুমন চট্টোপাধ্যায়ের বিবাহিত জীবনের কেচ্ছা তখনও কলকাত্তাইয়া শিক্ষিত বাঙালির রবিবাসরীয় সন্ধ্যের আড্ডার হট টপিক। সুমন তখনও বেঁচে আছেন বিভিন্ন দৈনিকের ভেতরের পাতার কোনো এক কলামে। সেসময় বাংলাদেশ তাঁকে বরণ করে নিয়েছিল। জয় গোস্বামী লিখেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রের কথা, যে ব্যানার নিয়ে এসেছিল –“পাখির কোনো দেশ নাই, আমাদের দেশে তুমি দোয়েল”…সেই থেকে ঢাকার সঙ্গে তাঁর আত্মীয়তার শুরু। তারপর সুমনের কাছেই শোনা, যতবার ঢাকায় গেছেন বন্ধুদের ডাকে সাড়া দিয়ে, তা মূলতঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রমহলের সঙ্গে বন্ধুতা ঝালিয়ে নেবার প্রেরণায়। যা এতটুকু চিড় ধরেনি, একযুগ পেরিয়ে এসেও।


রয়েছে কলকাতাও। নালে-ঝোলে অস্থির, ধোঁয়ায় খক-খক কেশে যাওয়া কলকাতার ভেতরে লুকিয়ে থাকা সেই কলকাতা। বাড়ির ঠিকানায় কলকাতার পিনকোড না থাকলেও যে শহর আমার অহংকার। মিডিয়া এবং মধ্যবিত্ত পাড়া রীতিমত একঘরে করে দিয়েছে, অনেকদিন ফেরার থাকার পর কবীর সুমন আত্মপ্রকাশ করেছিলেন ২০০০ সালে লক্ষ্মীপুজোর দিন সকালে রবীন্দ্র সদনে এক অনুষ্ঠানে। পোস্টার লিখেছিল একদল ছেলেমেয়ে। লিফলেট আকারে বিলি করা হয়েছিল কবিতা, “সুমনে দেখা করো সকলে।”


“নমস্কার বন্ধুরা, আসসালামআলেকুম, আশা করি ভাল আছেন সকলে।”


শুনে ভেতরে ভেতরে কেঁপে গেলেও এই শহর বাড়াবাড়ি প্রতিক্রিয়া দেখায়নি মোটেই। এদিক-ওদিক চাওয়াচাওয়ি করেছে, মুখ গোমড়া করেছে কেউ কেউ। সুমন তাঁর স্বীয় ব্যক্তিত্বে আবার কাছে টেনে নিয়েছেন তাঁদের।
ABVP-র কার্যত হুমকির ঢঙে স্লোগান, পোস্টার উপেক্ষা করে নিয়মিত কলামন্দিরে হাজিরা খাতায় নাম লিখিয়েছে কলকাতা।


আজ ২০০৯। সুমন ৬১ ব্যাটিং। অনুষ্ঠান হয় কালেভদ্রে। সংসদে যাওয়ার পর আরো কমে গেছে। সুমন নিজেই জানিয়েছেন, তাঁর আর নতুন করে প্রমাণ করার কিছু নেই। নিজেকে মোটিভেট করতে হয়তো অসুবিধে হয়। পুরনো শ্রোতারাও অনেকেই আসেন না। কেউ বিদেশে, কেউ বা ব্যস্ত। কারুর অভিমান, কেউ হয়তো খুব সুখী। কেউ ভুল বুঝে, কেউ বা ঠিক বুঝেই কলামন্দিরের ছায়া মাড়ান না আজকাল। নয়ের দশকে যাঁদের নিয়ম করে সামনের সারিতে দেখা যেত। কাগজে যখন আজকাল ছোট্ট করে বিজ্ঞাপনটা বেরোয়। খুব জানতে ইচ্ছে করে আমার, কতটা আত্মনিয়ন্ত্রণ থাকলে তাঁরা সেটা উপেক্ষা করতে পারেন! নাকি লড়াই চলে নিরন্তর?


পুরনো অভ্যেস?


ছেড়ে দিয়েছি…


নতুন গান?


সিপিএম কে খিস্তি করে নিশ্চয়ই, আর পোষায় না বস…


অ্যান্টি-এস্ট্যাব্লিশমেন্ট?


ছোঃ!


বিভূতিভূষণ?


এখনও গায়?


পিয়ানোটা? পিনাকী দা’র আলো?


………


………


কে জেতে শেষ পর্যন্ত?


তবে একটা দিন এমন আসবে। ঈশ্বর করুন যেন খুব দেরি করে আসে, কিন্তু আসবেই। সংসদে শোকপ্রস্তাব পাঠ করে সেদিনের অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যাবে। দাদা-দিদিরা হামলে পড়বেন বৈষ্ণবঘাটা’র বাড়ির সামনে। ফ্ল্যাশবাল্ব ঝলকাবে মুহূর্মুহূ। খবর পেয়ে ছুটে আসবেন অনুরাগীরা, বন্ধুরা। একে অপরকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়বেন। কেউ কেউ বা পাথর হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবেন উল্টোদিকের কৃষ্ণচূড়া গাছটার নীচে। অনেকে আসতেই পারবেন না। প্রতিক্রিয়া দেবেন কত শত শিল্পী – “বাংলা গানের কি অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। উনি না থাকলে আমরা…। ”চারের পাতায় পুরোনো পাপের প্রায়শ্চিত্ত করা হবে বহূল-প্রচারিত সংবাদপত্রে (তাও বেচে ঠিকঠাক দাম পাওয়া যাবে সে ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে তবেই)। অর্কুটে
R.I.P.-এর বন্যা বয়ে যাবে। ওদিকে FM স্টেশনগুলোতে আরেকটু বেশি ‘তোমাকে চাই’ বাজবে।


আর? ‘বোকা মেয়ে’র প্রিল্যুড শুনে বালিশ ভিজিয়েছিল যে ছেলেটা? শুধু ‘জাতিস্মর’ কোট করে যাদের প্রেম উৎরে গেল? সুমনে আগ্রহ নেই জেনে প্রায় পটে যাওয়া সুন্দরী মেয়েকে নাকচ করে দিয়েছিল যে ছেলে ? কিম্বা প্রত্যাখ্যাত সেই মেয়েটা? প্রিয়ম? ঋতব্রত দা (হ্যাঁ, ব্যানার্জী)? সৃজিত দা? চন্দ্রাবলী দি?
J.U.–র সেই মেয়েটা? অনিন্দ্য দা? দ্রুপদ দা? অনির্বাণ দা ? কিম্বা উত্তরপাড়া-সোদপুর-সন্তোষপুর-বাগবাজারের সেই ছেলেগুলো, যাদের সাথে আলাপই হল না? জানি না…হয়তো অনেকের সঙ্গেই অনেকের আর কোনোদিন দেখা হবে না। কিছুদিন পরেই যে যার মত ছিটকে যাবে এদিক-ওদিক। কিন্তু এটুকু জানি, দু’-দু’টো প্রজন্মের কেউ কেউ, যেখানেই থাকুক, একে অন্যকে চিনুক বা না চিনুক। কটা দিন তারা অশৌচ পালন করবে।


লিখেছেন – ঋতব্রত ঘোষ
অলংকরণ – অভীক্স

12 Responses to “‘…..তারই কিছু রং’”

  1. বৃষ্টি said

    ভীষণ,ভীষণই ভাল লাগল ঋতব্রত ঘোষের কিছু রঙ দিয়ে লেখা সুমনকে!
    অভীকের আঁকা নিয়ে আমি আর কি বলি,তবে এইটুকু না বলে পারছি না,কি করে এত ভাল আঁকে,মানুষ !!!

    সুমন!সুমন!!সুমন!!!
    তোমাকে চাই থেকে শুরু করে মা-মাটির মমতায় ফেরা সুমন.. এও বা মন্দ কি!।।
    আছেন তো…
    ফেসবুক এ স্ট্যাটাস ম্যাসেজ লিখতে গেলে সুমন ছাড়া আর কাওকে যে মনে আসেনা!
    তাই,বারবার ঘুরে ফিরে ওঁকেই বলি,’ও গানওয়ালা আর একটা গান গাও,আমার কোথায়ও যাবার নেই,কিচ্ছু করার নেই’ ঃ)

  2. Somnath said

    হ্যাঁ অভীকদার আঁকাটা অনবদ্য। আর, আমি মাঝেই পেজ ভিজিট করছিলাম বৃষ্টিদির কমেন্ট দেখবো বলে- আমি কিন্তু তোমার কমেন্টগুলোরো ফ্যান

  3. Caesar said

    Reeto-ta shesh duto paragraph-e sref knaadiye dilo. Jerom knedechhilam 1989-er September aar 1992’r April-e.

  4. jayanta ghoshal said

    Suman er eketa lekha ar suman ke niye ekta Kalyan bondopadaya ere ekta poddya mone porlo-
    “Kasmikakle o bhabini nam kore jabo.1966 sal theke betare gaichhi.1972 o 1973 sale duti Rabinsrasangeeter gramophone disk.
    Akashbanir Robindrasangeeter anurodher asore ekdin sunlam amar record bajcche.takahn 1974 sal.sei ki anondo!kintu nam korar kono bapar chhilo na . kasto kore gan sunecchi.iche korto loke sunuk.kintu nam? O chinta sattyi chhilo na.
    Anek baccar por ,1993 sale ekta br anusthan e gramophone company of India amake ‘Tomake Chai` cassett ir jonnya ‘gold disk`dilen.ei puroskar je amake deoya habe,sei khaborti aboshya anusthaner bigapone deoya hay ni.Bidhatai janen keno!companyr ek karmokorta kyek hazar srotar samne amar nam ghoshona korle ‘Suman Mukhopadhya`.
    Amar nam ho’lo .
    “Mar Shalake”
    Heemel ghare/darun bhalo/Suman shonay/bheem palashi/pasher sit e/darun bhalo/sugnadhete/elokeshi/ektu pore/darun bhalo/kemon jano/lagchhe sheet/kaNpte kaNpte/aschhe bodhay/heemgharei /emon geet/haspataler/baraph gharer/ghure asa/badha haoya/nak kuNchke/aschhe bomi/blchhe sobai/baha baha/Suman bhaya/gan sonao/mritodeho/amay gonao/batas theke/bodbu hatao/lagao bhelki/jadu tonao/ektu ektu pochon dhara/bikrito sei/mukhgulo/hatah hatah ase keno?bolte parle much khulo./heem gharer /andhokarke/mone keno hay/asato morgo/aam janata/cheNcheye othe/’mar shalake/etai sargo`.

  5. Reetabrata said

    @ Avik Da ,

    89 er September e khub i chhoto.. kintu 92 er April ta sposto money achhe…bari tey ekta thomthomey poribesh chhilo.Ami tokhon Sonar kella ar Gugababa chhara kichhui dekhini , tao sobai ke dekhe amar o mon kharap hoyechhilo.

    80 saal er kono smriti nei tomar ?

  6. Caesar said

    1980 saale aamar 2 bochhor boyesh chhilo, tai se somoyer jetuku smriti aachhe, taar purotai atmokendrik.

  7. ipsita said

    behs laglo🙂

  8. Kousik SenGupta said

    Lekha porey bhalo laglo. Jodio tomar thekey amar obhiggota-gulo ektu onnyorokom, amar hatey jokhon Suman asey tokhon ami college-ey, Pheluda-r jogot periye arektu oporey. Tachhara thaktaam Asansoley, Suman-er program dekhar sujog otota petaam na. Jey bondhura Kolkatai porto, tader kachhey onusthan-er golpo shuntam. Takiey thaktaam Cassette-er dokaan gulo-r dikey. Kobey bairer show-case tai dekhbo Suman-er ekta notun cassette beriyechhey. “Pothik-ami” berono-r por onek koshtey cassette-er dokaan thekey Suman-er ekta poster jogar korey enechhilam. Baritey amar room-ey tangano thakto. Onekei hasa hasi korto, “sob chherey seshey Suman”? Kaukey patta dyini. Tangiye rekhechhi sogorbey.

    Amar arranged marriage, alap-charita-r somoi amar didi amar hobu-stree-key shurutei jiggasa korechhilo “Suman kemon lagey?”. Tarpor boyos barlo, Songsari holam, Stree putro niye Asansol thekey Agnibina Exp. dhorey phirchhi, emon somoi sei manushti-r songey train-ey dekha. Takey pronaam korlaam. Onek kotha holo.

    Tarporei duhajar chhoi periye saath. Sei manushtikey hothat dekhlam Didi-r monchey. Jakey konodin biswas kortey parini, tar monchey Sumankey dekhey prothomey obisswasswo lagleo, byaparta konodin meney nitey parlaam na. Tarpor ami choley gelam Reetabrata-r bola sei “Obhimani”-der doley.

    Obhimani hoeo Suman shona chhartey parlaam na. Ekhono shuni. Shuneo jabo. R sei dinta, jokhon sobai kandbey, ami baritey bosey Suman-er gaan shunbo. Shunei jaabo. Oneker jonnyo tini choley geleo amar jonnyo tini gaan hoye bnechey thakben.

  9. sayan said

    Class 6 e pori takhon.Didi paser ghore dorja bhejiye sunchilo notun ekta loker gan.Ami bollam “e baba kemon kobita kobita gan”.Petkati Chadiyal hochchilo dibbi mone ache…class e bose gungun kore gaite rombho korlam Sumon.

    Ekhono Suni…

    Aamaake bhaban

  10. EI LEKHATA ‘BANGALNAMA’R SOUJONYE REPRINT KORCHHI.AAPOTTI AACHHE?

    • bangalnama said

      Rajib,

      jananor jonyo dhonyobad. apni lekhati kothay reprint korte chan? apnar jogajoger thikana janan, amra apnake lekhoker songe jogajog koriye dichchhi.

      – Bangalnama sampadokmondoli.

  11. Mithu Singharay said

    asomvob rokomer mugdho kora akkhani lekha…….Kabir Suman…..amar kache ak probadprotim byaktitto…92 shal thekei taar kotha aar surer sagare dub diye boshe achi,se akorshon akchulo kome ni…borong tibro theke tibrotoro hoyeche….taar byaktigoto jibon,rajnaitik jibon konotai amar kache boro hoye othe ni tanr shilpi sottake chapiye…..tai keu jodi taar biruddhe angul tolen,kotukti koren ajo mante pari na….hojom korte kosto hoi,,,apoprochar jani oi byaktittoke mlan korte parbe na…taar agonito voktokul taake aki ashone chirokal pujo kore jabo…kalamondir aar suman er akorshon 20 yrs aageo ja cjilo akhono tai ache…..bodleche kichu dakhar chokh,kichu manashikota….ki jae ashe tate…??????…kichu na….tanr rosod aro barbe,amra gaan pabo aaro valo valo….valo thakun suman da…..sustho thakun,tobe amrao je valo thakte parbo….

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

 
%d bloggers like this: