বা ঙা ল না মা

Posts Tagged ‘Tebhaga Andolon’

সম্পাদকীয়, ১লা জুন, ২০১০

Posted by bangalnama on June 1, 2010


মানুষের বেঁচে থাকার লড়াইয়ের এক জ্যোতির্ময় অধ্যায় তেভাগা আন্দোলন। আজ, অর্ধেক শতাব্দীর বেশি সময় অতিক্রান্ত হয়ে যাওয়ার পর, হয়তো শুধু সোমনাথ হোরের ছবিতে, সলিল চৌধুরীর গানে, আখতারুজ্জামানের উপকথায় আমরা সেই জনজাগরণের স্মৃতি খুঁজে পাই, কিন্তু নির্দ্বিধায় বলা যায় যে এই মুহূর্তেও এ দেশের কৃষিজীবী মানুষের নিজের জমি আর ভূমিজ ফসলের ওপর যে অধিকার রয়েছে তার দৃঢ়তার পিছনে এক ঋজু স্তম্ভ তেভাগা আন্দোলন।

বাকি অংশটি এখানে পডু়ন…

Posted in ইতিহাস, তেভাগা আন্দোলন, বাম আন্দোলন, রাজনীতি | Tagged: , , , , , , , , | 1 Comment »

সংগ্রামী দিনের কয়েকটি কথা

Posted by bangalnama on June 1, 2010


তেভাগা আন্দোলনের দুই বীর সেনানী কংসারি হালদার ও মণিকুন্তলা সেন-এর জন্মশতবর্ষ আগামী বছর (২০১১)। সেই কথা মাথায় রেখে তাঁদের লড়াই-কে ফিরে দেখতে পুনঃপ্রকাশ হলো তাঁদের দু’টি লেখা। লেখা দু’টির পরতে পরতে উঠে এসেছে তেভাগা আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়; কংসারিবাবুর একটি প্রায়-অপ্রকাশিত স্মৃতিচারণায় এসেছে প্রাক-স্বাধীনতাকালে সামাজিক-রাজনৈতিক আন্দোলনের পরিমন্ডলের ছবি- বিশ্লেষণ করা হয়েছে কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্ব-দানকারী ভূমিকাটি। ‘সেদিনের কথা’ থেকে নেওয়া মণিকুন্তলাদেবীর লেখাটি তেভাগার লড়াইয়ের একটি জীবন্ত ধারাভাষ্য, লড়াইয়ের আঙিনায় বাংলার মেয়েদের বীরত্বের এক গৌরবময় ছবি।



বাকি অংশটি এখানে পডু়ন…

Posted in তেভাগা আন্দোলন, ফিরে দেখা, স্মৃতিচারণা | Tagged: , , | Leave a Comment »

১৯৪৭ সালের ১২ই মার্চ বঙ্গীয় আইনসভায় জ্যোতি বসুর প্রদত্ত ভাষণ

Posted by bangalnama on June 1, 2010


“কৃষিজমির বর্গাদারকে তার উৎপাদিত ধানের দুই-তৃতীয়াংশ ভাগ দেবার আইনসিদ্ধ অধিকার সরকার কর্তৃক পরিত্যাগ করার স্বেচ্ছা-প্রণোদিত এবং বিশ্বাসঘাতক নীতির আমি তীব্র বিরোধীতা করছি। কৃষকদের মধ্যে ৪১ শতাংশ-ই বর্গাদার। তারা যে ধান উৎপাদন করেন তার দুই-তৃতীয়াংশ তাদেরই প্রাপ্য। এ সম্পর্কে সরকার সম্পূর্ণ সচেতন। তাঁদের এই ন্যায্য দাবি ১৯৪০ সালে ভূমি রাজস্ব কমিশন কর্তৃক গৃহীত হয়েছিল। আশ্চর্যের হলেও মুহূর্তের বিস্মরণে এবং দর্শকদের সামনে অভিনয়ের সাময়িক খেয়ালে মন্ত্রী-পরিষদ বর্গাদারের ধানের দুই-তৃতীয়াংশ ভাগ দেবার নীতিকে স্বীকার করে একটা খসরা বিল গ্রহন করেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশতঃ এখন তা শিকেয় তুলে রাখা হয়েছে।”

বাকি অংশটি এখানে পডু়ন…

Posted in তেভাগা আন্দোলন, বাম আন্দোলন | Tagged: , , | Leave a Comment »

উন্নয়ন, বিভাজন ও জাতি : বাংলায় নমশূদ্র আন্দোলন, ১৮৭২-১৯৪৭

Posted by bangalnama on August 31, 2009



জাতিবিভাগ, শ্রেণী আর ক্ষমতার সম্পর্কের মধ্যে প্রাক-ঔপনিবেশিক বাংলার সনাতন হিন্দু সমাজে যে ভারসাম্য ছিল (রায়, ১৯৮০, পৃঃ ৩২৪-২৫; সান্যাল, ১৯৮১, পৃঃ ১৯-২৬), ইংরেজ ঔপনিবেশিক সরকার নতুন নতুন সুযোগ-সুবিধা তৈরি করতে থাকলে তা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়। সাধারণ ধারণা এই যে ভূমি বিক্রেয় পণ্যে পরিণত হলে, প্রথাবদ্ধ উৎপাদন সম্পর্কের জায়গা নেয় চুক্তিবদ্ধতা। নতুন পেশার সৃষ্টি হল, যার ভিত্তি ব্যক্তিগত যোগ্যতা। যে সব বণিক সম্প্রদায়ের বাণিজ্যকর্ম এতদিন আঞ্চলিকতার সীমায় আটকে ছিল, তারা এবার বিভিন্ন ইউরোপীয় কোম্পানির সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে বাণিজ্য করে অবস্থার উন্নতি ঘটানোর সুযোগ পেল। আর তা বিভিন্ন জাতির মধ্যে প্রাচুর্যের বন্টনকেও বিষমীকৃত করে। এরই পরিণতি, সামাজিক গতিশীলতার বৃদ্ধিতে সমাজে ক্ষমতার সম্পর্ক ভেঙে পড়ার উপক্রম। কিন্তু যদি আদমসুমারির পেশা-সংক্রান্ত তথ্যকে সমাজের কিছু সাধারণ পরিবর্তনের সূচক হিসেবে গ্রহণ করি, যদিও সামাজিক পরিবর্তনের নির্ভরযোগ্য ছবি এর থেকে আদৌ পাওয়া যায় না (কনলন, ১৯৮১), তাহলে আমরা দেখব যে বিংশ শতাব্দীর গোড়াতেও (১৯০১-১৯৩১) এই সামাজিক গতিশীলতা ছিল অত্যন্ত সীমিত, সমাজের একেবারে নিচের তলা থেকে কেউ ওপরে উঠে আসছে এ ঘটনাও দুর্লভ।


জনসংখ্যার এক বিশাল অংশ তখনও তাদের জাতিভিত্তিক পেশাতেই নিয়োজিত, অর্থাৎ ঔপনিবেশিক শাসনপর্বে সীমিতভাবে যে উন্নয়ন প্রক্রিয়ার শুরু তা গোষ্ঠীসাপেক্ষে স্বতন্ত্র প্রভাব বিস্তার করেছে। অন্যভাবে দেখলে অর্থনীতি সমষ্টিগত উন্নয়নের গতি কখনো অর্জন করেনি বলেই একই জাতির মধ্যে তৈরি হয়েছে অন্য শ্রেণীরেখা। অর্থনীতির এই অসম সঞ্চালন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এই ঘটনাটিই একদিকে বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর চেতনাকে নিয়ন্ত্রণ করেছে – অন্যদিকে তা উনিশ শতকের শেষ আর বিশ শতকের আরম্ভে নিম্নবর্ণের জাতিগুলির সামাজিক আন্দোলনের অন্যতম প্রধান কারণ হয়েই তার ওপর প্রভাব ফেলেছে।

বাকি অংশটি এখানে পডু়ন…

Posted in ইতিহাস, জাত, তেভাগা আন্দোলন, নমশূদ্র আন্দোলন, পরিচয়, রাজনীতি | Tagged: , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , | 7 Comments »

 
%d bloggers like this: